![]() |
| প্রার্থীগণ: মৌলভীবাজার-২ |
স্বতন্ত্র প্রার্থী নওয়াব আলী আব্বাছ খান হলফনামায় উল্লেখ করেছেন, তিনি এলএলবি ডিগ্রিধারী। কৃষিখাত থেকে তার বার্ষিক আয় ১৯ হাজার ৯৫০ টাকা এবং পেশাগত আয় ৩ লাখ ৯ হাজার ৯৫০ টাকা।
বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শওকতুল ইসলাম শকু শিক্ষাগত যোগ্যতায় এইচএসসি পাস এবং পেশায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। তার নগদ অর্থ রয়েছে ২২ হাজার ৪২২ টাকা, ব্যাংক আমানত ৬৪ হাজার ৯৪৮ টাকা এবং একটি আবাসিক বাড়ির মূল্য দেখানো হয়েছে ৮ লাখ টাকা।
জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার সায়েদ আলী পেশা হিসেবে ব্যবসার কথা উল্লেখ করেছেন। হলফনামা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে তিনটি ফৌজদারি মামলা রয়েছে—একটিতে অব্যাহতি, একটিতে খালাস এবং একটি মামলা বর্তমানে বিচারাধীন। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং। আয়কর নথি অনুযায়ী তার বার্ষিক আয় ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা এবং মোট সম্পদের পরিমাণ ৩৭ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। এছাড়া ১২ লাখ ৩০ হাজার টাকা মূল্যের একটি মোটরযানের মালিকানার তথ্যও উল্লেখ করেছেন।
আল ইসলাহ সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ফজলুল হক খান সাহেদ শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে কামিল উল্লেখ করেছেন। তিনি পেশায় ব্যবসায়ী ও বিবাহ ও তালাক রেজিস্ট্রার (কাজী)। তার নগদ অর্থ ৭৫ হাজার ৫৫৭ টাকা, ব্যাংকে জমা রয়েছে ৫ লাখ ৫৫ হাজার ৪৪৩ টাকা এবং মোট সম্পদের পরিমাণ ২৫ লাখ ৩১ হাজার ৫০০ টাকা। তিনি পূর্বে কুলাউড়া উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী আব্দুল কুদ্দুস হলফনামায় দাওরায়ে হাদিস পাসের তথ্য দিয়েছেন। তার বার্ষিক আয় ৫ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং নগদ সম্পদ রয়েছে ২ লাখ টাকা।
স্বতন্ত্র প্রার্থী এম. জিমিউর রহমান চৌধুরী নিজেকে স্বশিক্ষিত হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার নগদ অর্থ ৩২ লাখ ৫৭ হাজার ২০৮ টাকা, ব্যাংকে জমা ১১ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং স্ত্রীর ব্যাংক হিসাবে রয়েছে ১৩ লাখ ৬৩ হাজার ৭৫০ টাকা।
জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী মো. আব্দুল মালিক শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে অষ্টম শ্রেণি পাস উল্লেখ করেছেন। তার বার্ষিক আয় ৪ লাখ ১৪ হাজার টাকা এবং নগদ সম্পদ ১ লাখ টাকা।
বাসদ মনোনীত প্রার্থী সাদিয়া নোশিন তাসনিম চৌধুরী হলফনামায় এমএসসি ডিগ্রির তথ্য দিয়েছেন। তিনি নগদ অর্থ ৬ লাখ ৩ হাজার ৭৫৩ টাকা এবং ব্যাংকে ৪১ হাজার ২৬৮ টাকা জমা থাকার কথা উল্লেখ করেছেন।
নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া এসব তথ্য ভোটারদের সামনে প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, আর্থিক অবস্থান এবং আইনগত অবস্থার একটি স্বচ্ছ ও তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরেছে।
