![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
রোববার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ দাবি করেন।
পোস্টে জুলকারনাইন সায়ের জানান, ১২ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় সীমান্ত পাড়ি দিয়ে তারা ভারতে প্রবেশ করে। নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাতে তিনি দাবি করেন, বর্তমানে তারা ভারতের আসাম রাজ্যের গুয়াহাটিতে অবস্থান করছে।
সায়েরের দাবি অনুযায়ী, ভারতে তাদের অবস্থানে সহায়তা করছেন আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীর কবির নানকের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) মো. মাসুদুর রহমান বিপ্লব। তার তত্ত্বাবধানেই অভিযুক্তরা সেখানে অবস্থান করছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
হাদির ওপর হামলার বিষয়ে সায়ের বলেন, এটি অত্যন্ত পরিকল্পিত একটি আক্রমণ এবং একই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তির জন্য আরও কয়েকটি ‘হিট টিম’ প্রস্তুত রয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে।
পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, মূল শ্যুটার ফয়সাল তার ঘনিষ্ঠদের কাছে দাবি করেছেন—ব্যবহৃত অস্ত্রটি জ্যাম হয়ে যাওয়ায় তিনি মাত্র একটি গুলি ছুঁড়তে সক্ষম হন। তার পরিকল্পনা ছিল চারটি গুলি করার।
এদিকে সায়েরের পোস্টে আরও বলা হয়, ফয়সালের মতোই আরেক অস্ত্রধারী ক্যাডার চট্টগ্রাম নগর যুবলীগের সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য মো. সাজ্জাদ—যাকে গত ১৩ মে রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে চট্টগ্রামের মুরাদপুরে ফয়সাল আহমেদ শান্ত হত্যার মামলায় তিনি অভিযুক্ত ছিলেন।
তবে, ২৯ জুলাই সুপ্রিম কোর্ট থেকে জামিন নিয়ে সাজ্জাদ কারামুক্ত হন।
সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের তার পোস্টে সতর্ক করে বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের যেসব অস্ত্রধারী ক্যাডার বিভিন্ন মামলায় জামিনে মুক্ত হয়েছেন, তাদের প্রত্যেকের বর্তমান অবস্থান ও কর্মকাণ্ড অবিলম্বে যাচাই করা জরুরি।
