![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
শিক্ষার্থীর পরিবারের দাবি, প্রায় দুই বছরের বেশি সময় ধরে কায়সারুজ্জামানের সঙ্গে এনির প্রেমের সম্পর্ক ছিল। একপর্যায়ে বিয়ের আশ্বাস ও বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে তিনি এনিকে বাড়ি থেকে নিয়ে যান। পরে মেয়েটি জানতে পারেন যে কায়সারুজ্জামান পূর্ব থেকেই বিবাহিত এবং তার দুই সন্তান রয়েছে।
এনির বাবার অভিযোগ, তার মেয়েকে রাতের আঁধারে বাড়ি থেকে নিয়ে গিয়ে তার গ্রামের বাড়ি বগুড়ায় রাখা হয়। সেখানে মেয়েটি বিয়ের কাবিননামা ও বৈবাহিক সম্পর্কের বৈধতা সম্পর্কে জানতে চাইলে কায়সারুজ্জামান বিষয়টি এড়িয়ে যান। এ সময় মেয়েটির সঙ্গে অমানবিক আচরণ ও নির্যাতনের ঘটনাও ঘটেছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।
পরিবারের আরও দাবি, পুলিশ কায়সারুজ্জামানকে খুঁজতে শুরু করলে এনিকে দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তা প্রচার করা হয়। ওই ভিডিওতে এনি বলেন, তাকে অপহরণ করা হয়নি; তিনি স্বেচ্ছায় কায়সারুজ্জামানের সঙ্গে গেছেন। তবে পরিবারের অভিযোগ, ওই বক্তব্য চাপ প্রয়োগ করে দিতে বাধ্য করা হয়েছিল।
অভিযুক্ত শিক্ষক কায়সারুজ্জামানকে বিয়ের বৈধতা ও কাবিননামা দেখাতে বললে তিনি বিষয়টি পারিবারিকভাবে মীমাংসার কথা বলে এড়িয়ে যান এবং মন্তব্য দিতে রাজি হননি।
অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তের পর প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।
