![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ভর্তি সময়েও তাদের কাছ থেকে ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রশ্ন তুললে বা ফি কমানোর অনুরোধ করলে অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তারা।
এক শিক্ষার্থী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,
"আমরা গরিব ও মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। এত টাকা একসঙ্গে জোগাড় করা আমাদের জন্য খুবই কষ্টকর। অথচ কলেজ কর্তৃপক্ষ বলছেন, সরকার থেকে নাকি এত টাকা নেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। কিন্তু অন্য কলেজগুলোতে যদি কম টাকায় ফরম পূরণ করা যায়, তাহলে এখানে এত বেশি কেন?"
শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত ফি তাদের ও তাদের পরিবারের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে। অনেকেই বিষয়টিকে শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণের উদাহরণ হিসেবে দেখছেন।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে সুজাতা সরকার (ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ), ইয়াকুব-তাজুল মহিলা ডিগ্রি কলেজ, কুলাউড়া, মৌলভীবাজার-এর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী ফি আদায় করা হচ্ছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।
শিক্ষার্থীদের দাবি, শিক্ষা যেন ব্যবসার পণ্য না হয়ে সবার জন্য সহজলভ্য অধিকার হিসেবে নিশ্চিত হয় এবং অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করা হোক।
