![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ সংশোধিত গেজেট অনুযায়ী মোট ৮৩৬ জনকে ‘জুলাই শহীদ’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়। তবে গেজেট প্রকাশের পর থেকেই বিভিন্ন মহল থেকে অসঙ্গতির অভিযোগ উঠতে থাকে।
সামাজিক মাধ্যমে “অচেনা একজন” ছদ্মনামে একজন বিশ্লেষক গেজেটের পুরো পিডিএফ পরীক্ষা করে যে অনিয়মগুলো তুলে ধরেছেন, তার মধ্যে আছে—
একই ব্যক্তির নাম একাধিকবার সংযুক্ত
ভিন্ন বানান বা ভিন্ন পরিচয়ে একই ব্যক্তিকে আলাদাভাবে তালিকাভুক্ত করা
মৃত্যুর তারিখ, স্থান ও পরিচয়ে গুরুতর গরমিল
কিছু ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ভুয়া নাম ও ঠিকানা ব্যবহার
নিহত পুলিশ, আনসার সদস্য, আওয়ামী লীগ এবং অন্যান্য রাজনৈতিক দলের কর্মীদের আন্দোলনকারী হিসেবে দেখানোর অভিযোগ!
অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে নিহতের সংখ্যা নিয়ে একাধিকবার পরস্পরবিরোধী দাবি করা হলেও জাতিসংঘের প্রতিবেদনে ১৬ জুলাই থেকে ১৫ আগস্টের মধ্যে মোট প্রায় ১৪০০ জন নিহত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। ওই সংখ্যার মধ্যেই বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অন্তর্ভুক্ত।
বিশ্লেষকরা বলছেন, সরকারি গেজেটে এমন অসঙ্গতি প্রমাণ করে যে ‘জুলাই শহীদ’ তালিকা প্রণয়নে স্বচ্ছতা ছিল না। বরং ভুয়া ও ভুল তথ্যের মাধ্যমে একটি বিশেষ রাজনৈতিক বর্ণনা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হয়েছে।
এ বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এখনও জানা যায়নি। তবে গেজেটের তথ্যে অসঙ্গতি প্রকাশ পাওয়ায় জুলাই–আগস্ট ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি আরও জোরদার হচ্ছে।

