![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
স্থানীয়রা জানান, হাজীপুর ইউনিয়নের ভূঁইগাঁও গ্রামের এক তরুণীর সঙ্গে পৃথিমপাশা ইউনিয়নের শালিকা গ্রামের এক যুবকের দীর্ঘদিনের প্রেম ছিল। বুধবার রাতে তরুণীর ফোন পেয়ে যুবক দেখা করতে গ্রামে আসেন। ওই সময় কিছু যুবক তাকে অপরিচিত দেখে চোর সন্দেহে ধাওয়া করে এবং ঘটনাস্থলেই মারধর করে।
খবর পেয়ে দ্রুত হাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নূর আহমদ চৌধুরী বুলবুল এবং কুলাউড়া থানা পুলিশ সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। সময়মতো পুলিশ পৌঁছানোর ফলে বড় ধরনের বিপদের হাত থেকে রক্ষা পান ওই যুবক।
পরদিন ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে উভয় পরিবারের উপস্থিতিতে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৫ লাখ টাকা দেনমোহরে নিকাহ রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে তাদের বিয়ে সম্পন্ন করা হয়। বিয়ের পর বর কনেকে সঙ্গে নিয়ে নিজ বাড়িতে ফিরে যান।
ইউনিয়ন পরিষদ সূত্র জানায়, কাউকে শুধু সন্দেহের ভিত্তিতে গণপিটুনি দেওয়া আইনগতভাবে গুরুতর অপরাধ। এতে ভুল ব্যক্তিকে শাস্তি দেওয়ার ঝুঁকি থাকে এবং বড় ধরনের দুর্ঘটনাও ঘটতে পারে। সন্দেহজনক কোনো ঘটনা দেখলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি বা পুলিশকে জানানোই উত্তম উপায় বলে মন্তব্য করেন তারা।

