ভিক্টরি টাইমস ৭১ ডেস্ক:
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো প্রকার পোস্টার, ব্যানার বা ফেস্টুন ব্যবহার করতে পারবেন না রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীরা। সোমবার নির্বাচন কমিশন (ইসি) প্রকাশ করেছে ‘রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধি ২০২৫’। এবারই প্রথমবারের মতো নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার নিষিদ্ধ করা হলো।
ইসির নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, প্রচারণা চালাতে হবে সম্পূর্ণ অনলাইনভিত্তিক পদ্ধতিতে। অর্থাৎ প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলগুলো তাদের ফেসবুক পেজ, ইউটিউব চ্যানেল, ওয়েবসাইট বা অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া মাধ্যমে প্রচার চালাতে পারবেন। তবে এসব অ্যাকাউন্টের তথ্য রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পূর্বেই জমা দিতে হবে।
পরিবেশবান্ধব প্রচারণা নিশ্চিত করতে প্লাস্টিক, রেক্সিন বা পলিথিনজাত পোস্টার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি দেয়াল, গাছ, বিদ্যুৎ ও টেলিফোন খুঁটি, যানবাহনসহ জনসাধারণের স্থাপনায় কোনো প্রচারপত্র টানানো যাবে না।
আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে প্রার্থী বা দলের জন্য কঠোর শাস্তির বিধানও রাখা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে—
- সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড
- সর্বোচ্চ ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা
- দলীয় পর্যায়ে একই পরিমাণ অর্থদণ্ড
- প্রয়োজনে প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতাও ইসির হাতে থাকবে
নির্বাচন কমিশন বলছে, এই নতুন বিধিমালা মূলত “স্বচ্ছ, পরিবেশবান্ধব ও ব্যয় নিয়ন্ত্রিত প্রচারণা” গড়ে তোলার অংশ হিসেবে প্রণয়ন করা হয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি বাংলাদেশের নির্বাচনী সংস্কৃতিতে এক নতুন ধারা তৈরি করবে। তবে গ্রামীণ এলাকায় যেখানে অনলাইন ব্যবহারের পরিধি কম, সেখানে প্রচারণা কতটা কার্যকর হবে— তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।
ইসি সূত্র জানায়, নির্বাচনী প্রচারণায় ফেসবুক লাইভ, ভিডিও বার্তা, ব্যানার বিজ্ঞাপন এবং অনলাইন মিটিং আয়োজন করা যাবে। তবে ভুল তথ্য বা বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালালে সাইবার আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


হাসাইলেন
উত্তরমুছুন