![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি বলেন,
“আমি চলে যেতে আগ্রহী। আমি বেরিয়ে যেতে চাই। নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত আমাকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণেই এখনো পদে আছি।”
রাষ্ট্রপতি অভিযোগ করেন, প্রায় সাত মাস ধরে প্রধান উপদেষ্টা তার সঙ্গে কোনো বৈঠক করেননি। এমনকি তার প্রেস ডিপার্টমেন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং গত সেপ্টেম্বরে বিদেশি দূতাবাসগুলো থেকে তার প্রতিকৃতি ছবি সরিয়ে ফেলা হয়েছে।
তিনি বলেন,
“সব দূতাবাস, কনস্যুলেট ও হাইকমিশনে রাষ্ট্রপতির ছবি থাকে। কিন্তু হঠাৎ এক রাতের মধ্যে সব সরিয়ে ফেলা হয়। এতে ভুল বার্তা যায়—মানুষ ভাবতে পারে, রাষ্ট্রপতিকে হয়তো সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আমি খুব অপমানিত বোধ করেছি।”
রাষ্ট্রপতি আরও জানান, এ ঘটনার পর তিনি প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসকে চিঠি লিখলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
রয়টার্স জানায়, রাষ্ট্রপতির অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ইউনূসের প্রেস অফিস তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য দেয়নি।
উল্লেখ্য, ৭৬ বছর বয়সী মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
