![]() |
| ছবি: প্রতিকী |
পরিবার জানায়, সকালে আক্কাছের ছোট ভাই হাসান বাড়ির পাশের নদীর পাড়ে গিয়ে তার ব্যবহৃত বাইসাইকেল পড়ে থাকতে দেখে। পরে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে গাছে ঝুলন্ত আক্কাছের লাশ দেখতে পায়। এসময় লাশের দুই পা মাটিতে লেগে ছিল, যা ঘটনাটিকে আরও রহস্যজনক করে তুলেছে এবং এলাকাবাসীর মধ্যে সন্দেহ তৈরি করেছে।
রোববার রাত ৯টার দিকে ভানুগাছ বাজার থেকে বাড়ির উদ্দেশে বের হওয়ার আগে আক্কাছ বাবার কাছ থেকে ৫০ টাকা নেন। রাত ১০টার দিকে বড় চাচা মো. নওশাদ মিয়া তাকে সফাত আলী সিনিয়র মাদ্রাসার কাছে দেখেন। এরপর আর তিনি বাড়ি ফেরেননি। পরিবারের সদস্যরা ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।
ঘটনা জানাজানি হলে প্রতিবেশী মো. শওকত জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯–এ ফোন দেন। পুলিশ গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে লাশ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মৌলভীবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
নিহতের মা ফাতই বেগম অভিযোগ করে বলেন, আক্কাছের সঙ্গে আদমপুর এলাকার এক মেয়ের সম্পর্ক ছিল। তার মোবাইলে ওই মেয়ের ছবি ও আইডি কার্ডও পাওয়া গেছে বলে দাবি করেন তিনি।
ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। আক্কাছের মৃত্যু আত্মহত্যা নাকি পরিকল্পিত হত্যা—তা নিশ্চিত করতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, ৯৯৯–এ কল পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে ঝুলন্ত লাশের সুরতহাল লিপিবদ্ধ করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্তের পর মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করা যাবে।
