![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় প্রার্থী মো. সায়েদ আলীর সঙ্গে ছিলেন জামায়াতে ইসলামী ও সহযোগী সংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং স্থানীয় সমর্থকরা।
মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় মো. সায়েদ আলী বলেন, “কুলাউড়া উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন, জনগণের কল্যাণ ও ন্যায়বিচারের জন্য আমি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি। জনগণের সহযোগিতা পেলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান এবং নৈতিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার জন্য আমি সক্রিয়ভাবে কাজ করবো।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, জনগণ সত্য এবং সৎ নেতৃত্বকে সম্মান দেয়। আমি চাই কুলাউড়ার মানুষ নিজেদের অধিকার ও ভোটের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী ও ন্যায্য প্রতিনিধিত্ব পাবে।”
উল্লেখ্য, মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া) আসনটি এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়ে উঠেছে। স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, জামায়াতে ইসলামী প্রার্থীর সঙ্গে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, স্বতন্ত্র এবং অন্যান্য ছোট দলীয় প্রার্থীরাও এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, কুলাউড়া উপজেলায় ভোটার সংখ্যা প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার। রাজনৈতিক অঙ্গনের নেতারা মনে করছেন, নির্বাচনে স্থানীয় সমস্যা ও জনগণের প্রত্যাশাই বিজয়ী প্রার্থীর নির্ধারণ করবে।
প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিলের সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই উত্তেজনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আগামী নির্বাচনকে ঘিরে উপজেলা জুড়ে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও প্রস্তুতি তৎপরতার সঙ্গে চলছে।
