![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
পোস্টে ট্রাম্প নিজের একটি ছবি শেয়ার করে উল্লেখ করেন, তিনি ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। একই পোস্টে তিনি নিজেকে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম ও ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবেও উল্লেখ করেন।
এর আগে, গত ৩ জানুয়ারি ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে সামরিক অভিযান চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটক করে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, তাদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে মাদক পাচারের মামলা রয়েছে এবং এ সংক্রান্ত বিচারিক কার্যক্রমের প্রস্তুতি চলছে। বর্তমানে তারা নিউইয়র্ক সিটির একটি ফেডারেল কারাগারে আটক আছেন বলেও দাবি করা হয়।
মাদুরো আটক হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর ভেনেজুয়েলার সুপ্রিম কোর্ট দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজকে অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করে বলে জানানো হয়। একই সঙ্গে ভেনেজুয়েলার সেনাবাহিনীও তার প্রতি সমর্থন জানায়।
পরবর্তীতে ডেলসি রদ্রিগেজ শপথ গ্রহণ করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেন বলে দাবি করা হয়। তবে এসব ঘটনার মধ্যেই ট্রাম্প নিজেকে ভেনেজুয়েলার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা হিসেবে উপস্থাপন করছেন।
এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প দাবি করেন, আগামী ৩০ দিনের মধ্যে ভেনেজুয়েলায় কোনো নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে না। তার ভাষায়, “ভেনেজুয়েলার দায়িত্ব এখন আমার হাতে। আগে দেশটিকে স্থিতিশীল করতে হবে। বর্তমানে নির্বাচন আয়োজনের মতো পরিস্থিতি নেই।”
তিনি আরও বলেন, দেশটির জ্বালানি অবকাঠামো পুনর্গঠনে যুক্তরাষ্ট্র তেল কোম্পানিগুলোকে ভর্তুকি দিতে পারে। তার মতে, এই পুনর্গঠন প্রক্রিয়া ১৮ মাসের কম সময়ের মধ্যেই শেষ করা সম্ভব, যদিও এতে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগের প্রয়োজন হবে।
সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ জানায়, ভেনেজুয়েলা ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা পরিচালনায় ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এবং হোয়াইট হাউসের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ স্টিফেন মিলারসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা ভূমিকা রাখবেন।
ভেনেজুয়েলার চূড়ান্ত দায়িত্ব কার হাতে থাকবে—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প এক শব্দে বলেন, ‘আমি’।
