![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
সাধারণত প্রেমের সম্পর্কে দুজনের বয়স কাছাকাছি হয়ে থাকে। এতে চিন্তা-ভাবনা ও জীবনদর্শনের মিল থাকায় সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়া সহজ হয়। তবে অনেক সময় দেখা যায়, বয়সের ব্যবধান অনেক বেশি হলেও প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ছেন দুইজন মানুষ। বিশেষ করে কিছু তরুণীর বয়স্ক কিংবা বিবাহিত পুরুষের প্রতি আকৃষ্ট হওয়ার বিষয়টি প্রায়ই আলোচনায় আসে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এর অন্যতম কারণ হলো পরিণত মানসিকতা বা ম্যাচিওরিটি। বয়স্ক পুরুষরা জীবনের নানা অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে এগিয়ে আসেন। ফলে তাদের মধ্যে দায়িত্ববোধ, ধৈর্য, আত্মনিয়ন্ত্রণ এবং সম্পর্কের প্রতি সচেতনতা বেশি দেখা যায়। অনেক তরুণীর কাছে এসব গুণ আকর্ষণীয় মনে হতে পারে।
এ ছাড়া বয়স্ক পুরুষরা সাধারণত বেশি বাস্তববাদী হন। তারা আবেগের পাশাপাশি বাস্তবতাকেও গুরুত্ব দেন এবং সম্পর্কের ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল আচরণ করার চেষ্টা করেন। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, আর্থিক স্থিতিশীলতা এবং পারিবারিক দায়িত্ব পালনের সক্ষমতাও অনেকের কাছে তাদের গ্রহণযোগ্য করে তোলে।
জীবনের অভিজ্ঞতার কারণে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রেও তারা তুলনামূলক বেশি দক্ষ হয়ে থাকেন। বিভিন্ন পরিস্থিতিতে কীভাবে নিজেকে মানিয়ে নিতে হবে, সে বিষয়েও তাদের অভিজ্ঞতা বেশি থাকে। সামাজিক অনুষ্ঠান, পারিবারিক পরিবেশ কিংবা পেশাগত জীবনের নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আত্মবিশ্বাসী মনোভাব অনেক সময় তরুণীদের আকৃষ্ট করে।
মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, অনেক তরুণী তাদের সঙ্গীর মধ্যে নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা এবং মানসিক সমর্থন খোঁজেন। বয়স্ক পুরুষদের মধ্যে এসব বৈশিষ্ট্য বেশি রয়েছে বলে মনে হলে তাদের প্রতি আকর্ষণ তৈরি হতে পারে।
তবে বিবাহিত পুরুষের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও জটিল হয়ে ওঠে। কারণ সেখানে বিদ্যমান পরিবার, স্ত্রী, সন্তান এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার প্রশ্ন জড়িত থাকে। ফলে এমন সম্পর্ক অনেক সময় পারিবারিক ও সামাজিক সংকটেরও কারণ হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বয়সের পার্থক্য কোনো সম্পর্কের সফলতা বা ব্যর্থতার একমাত্র নির্ধারক নয়। পারস্পরিক সম্মান, সততা, বিশ্বাস, দায়িত্ববোধ এবং বোঝাপড়াই একটি সম্পর্ককে দীর্ঘস্থায়ী ও অর্থবহ করে তোলে।
