![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার (১৮ জুলাই) রাত ৮টা থেকে ৯টার দিকে মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের ওই শিক্ষার্থীকে নিজ কক্ষে ডেকে নেন অধ্যক্ষ আব্দুল আহাদ। সেখানে তাকে যৌন নির্যাতন চালানো হয়। পরদিন রোববার দুপুরে শিশুটি সুযোগ পেয়ে মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে নিজের বাড়িতে চলে যায় এবং পরিবারের কাছে ঘটনা বিস্তারিত তুলে ধরে।
বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে রোববার রাতে ক্ষুব্ধ অভিভাবক ও স্থানীয় জনতা মাদ্রাসায় গিয়ে অভিযুক্ত অধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। খবর পেয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে, অভিযুক্তকে আটক করে এবং ভুক্তভোগী শিশুকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
ভুক্তভোগীর পরিবার জানিয়েছে, ঘটনার পর থেকে শিশুটি চরম মানসিক আতঙ্কের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সে আর ওই মাদ্রাসায় ফিরতে চাইছে না। অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্বজনরা।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চন্দ্রগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুর রব জানান, প্রাথমিক তদন্তে শিশুটিকে নির্যাতনের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়েছে। উক্ত মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে সোমবার দুপুরে আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
