![]() |
| ছবি সংগৃহীত |
খেলার শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ। মাত্র ১১ মিনিটেই আসে ম্যাচের একমাত্র গোল। বাঁ দিক দিয়ে রাকিবের কাত করা নিখুঁত পাস থেকে চমৎকার টোকায় বল জালে পাঠান তরুণ তারকা শেখ মোরছালিন। জাতীয় দলের জার্সিতে তার সপ্তম গোলটি হয়ে ওঠে পুরো ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারক আঘাত।
বাংলাদেশ বল দখলে ও গতি নির্ধারণে প্রথম থেকেই নিয়ন্ত্রণে থাকলেও ২৭ মিনিটে ডিফেন্ডার তারিক কাজীর ইনজুরি দলে চাপ ফেলে। কিন্তু বদলি হিসেবে নেমে শাকিল আহাদ তপু রক্ষণে এনে দেন নতুন দৃঢ়তা।
ভারত বারবার আক্রমণে ঝাঁপিয়ে পড়লেও মিতুল মারমার সেভ এবং হামজা চৌধুরীর দুর্দান্ত ক্লিয়ারেন্সে ভেঙে যায় সব চেষ্টা। ৩৪ মিনিটে তপু বর্মণ ও ভারতের বিক্রমের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লেও পরিস্থিতি সামলে ম্যাচে ফিরে আসে স্বাভাবিক ছন্দ।
দ্বিতীয়ার্ধে সমতায় ফেরার মরিয়া চেষ্টা করেও বাংলাদেশের রক্ষণ দেয়াল ভেদ করতে পারে না ভারত। শেষ পর্যন্ত মোরছালিনের গোল ধরে রেখে বাংলাদেশের হাতে উঠে আসে বহু প্রতীক্ষিত সেই জয়—যে জয় শুধু একটি ম্যাচের নয়, দুই দশকের ব্যর্থতার দেয়াল ভাঙার গর্ব।
এ বাছাইপর্বে এখন পর্যন্ত পাঁচ খেলায় ৫ পয়েন্ট নিয়ে তিন নম্বরে বাংলাদেশ। মার্চে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে খেলবে শেষ ম্যাচ।

