![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
ইমরান স্থানীয় ঢালুয়া বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের নিয়মিত শিক্ষার্থী। পরিবার জানায়, সোমবার গভীর রাতে বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে পুলিশ। পরদিন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে শিশু আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
ইমরানের বাবা, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ইসহাক মিয়া, অভিযোগ করে বলেন—
“আমার ছেলে কোনো রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নয়। পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিল আজ। অথচ সে কারাগারে। প্রবেশপত্র নিয়ে থানায় গিয়ে অনুনয় করেছি, কিন্তু কেউ কথা শোনেনি। মনে হচ্ছে ষড়যন্ত্র করে ছেলেকে ফাঁসানো হয়েছে।”
প্রধান শিক্ষক বেলাল হোসেন মজুমদার জানান, ইমরান স্কুলের সক্রিয় শিক্ষার্থী এবং তার রাজনৈতিক কোনো সম্পৃক্ততার তথ্য স্কুলে নেই।
মঙ্গলবার যে মামলায় তাকে অভিযুক্ত করা হয়, তাতে ২৫ জনের নামসহ আরও ৫০–৬০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, ঢালুয়া ইউনিয়নের মনতলী ব্রিজ এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের সদস্যরা সরকারবিরোধী স্লোগান এবং মশালমিছিল করেছে।
নাঙ্গলকোট থানার ওসি এ কে ফজলুল হক বলেন—
“ইমরানের কোনো ছবি বা ভিডিও আমাদের কাছে নেই। তবে আগে আটক করা পাঁচজনের জিজ্ঞাসাবাদে তার নাম পাওয়া গেছে। তারা বলেছে, সে মিছিলে অংশ নেয়। তাই আইন অনুযায়ী তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।”
এদিকে পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারায় হতাশ বাবা ইসহাক মিয়া দ্রুত ছেলের মুক্তি ও ঘটনার ন্যায়বিচার দাবি করেছেন।

