![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
বিআরটিএ সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) গাড়িটির রেজিস্ট্রেশন ও ফিটনেস অনুমোদন দেওয়া হয়। এর আগে নির্বাচনী প্রচারণায় নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের জন্য দুটি বুলেটপ্রুফ গাড়ি আমদানির অনুমতি দেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়—একটি জুনে, আরেকটি অক্টোবর মাসে।
কোথা থেকে এসেছে গাড়ি
সাদা রঙের সাত আসনের প্রাডোটি ২০২4 সালে জাপানে প্রস্তুত হলেও আমিরাতের 'ভেলোস অটোমোটিভ এক্সপোর্টিং এলএলসি' থেকে ‘এশিয়ান ইমপোর্টস লিমিটেড’ এর মাধ্যমে দেশে আমদানি করা হয়। ১ নভেম্বর চট্টগ্রাম বন্দরে গাড়িটি এসে পৌঁছায়।
দাম ও শুল্ক-কর
আমদানি নথি অনুযায়ী, ২৮০০ সিসির গাড়িটির ক্রয়মূল্য দেখানো হয়েছে ৩৭ হাজার মার্কিন ডলার। এনবিআর নির্ধারিত বিনিময় হার অনুযায়ী যার ভিত্তিমূল্য দাঁড়ায় ৪৫ লাখ টাকার বেশি। কাস্টমস মূল্যায়নে দাম ধরা হয় ৪১ হাজার ডলার।
শুল্ক, ভ্যাট ও অন্যান্য কর মিলিয়ে গাড়িটি ছাড় করতে খরচ হয়েছে ২ কোটি ৩১ লাখ টাকার বেশি। সব মিলিয়ে মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ কোটি ৭৬ লাখ টাকা।
নিবন্ধন তথ্য
গাড়িটি ব্যক্তিগত নামে নয়, বিএনপি–র প্রতিষ্ঠানের নামে রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে। মালিকানা ঠিকানা রাখা হয়েছে নয়াপল্টনের দলীয় কেন্দ্রীয় কার্যালয়। গাড়িটির নম্বর—ঢাকা মেট্রো-ঘ ১৬-৬৫২৮।
রেজিস্ট্রেশনের দিনই ফিটনেস সনদ অনুমোদিত হয়, যা ২০২৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
তবে জিপটি বুলেটপ্রুফ কিনা—এ বিষয়ে এখনও কোনো সরকারি নথিতে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
