![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
শনিবার (১ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া পোস্টে এম নাসের রহমান দাবি করেন, তার মুখ অন্য একজনের শরীরে বসিয়ে এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে একটি বিকৃত ও আপত্তিকর ভিডিও তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান।
তবে ওই পোস্টটি কিছু সময় পর তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। পোস্টটি কেন মুছে ফেলা হয়েছে, সে বিষয়ে তার পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
এদিকে ভিডিওটি ইফেক্ট চেকার নামের একটি ভিডিও বিশ্লেষণী টুলে পরীক্ষা করলে সেটি এআই-সৃষ্ট ভিডিও হিসেবে শনাক্ত হয়নি বলে ফলাফল দেখা যায়। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনা ও প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি মাত্র বিশ্লেষণী টুলের ফলাফলই কোনো ভিডিওর সত্যতা সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়। নির্ভুল সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে প্রয়োজন ডিজিটাল ফরেনসিক পরীক্ষা এবং সংশ্লিষ্ট তদন্ত সংস্থার আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এমপি নাসের রহমান পোস্টটি সরিয়ে নেওয়ার কারণ বা ইফেক্ট চেকারের ফলাফল নিয়ে কোনো নতুন বক্তব্য দেননি।
